ফেইসবুকে এবং অন্যান্য সূত্রে আয়ারল্যান্ড প্রবাসী বেশ কয়েকজন বাংলাদেশী আবাই কি এবং এই সংগঠনের কি প্রয়োজন এই প্রশ্ন বিভিন্নভাবে উত্থাপন করেছেন। আমার কাছে প্রথমেই মনে হয়েছে এ প্রশ্ন উত্থাপনের কারণ কি? যারা এই প্রশ্ন করেছেন তাদের কিছু অংশ আয়ারল্যান্ডে নবীন, তাই হতে পারে এই সংগঠন সম্পর্কে তাদের তেমন কোন ধারনা নেই। অন্যদিকে যারা এই দেশে দীর্ঘদিন থেকে আছেন, হতে পারে তারা জেনে বুঝেই এই প্রশ্ন করছেন। সম্ভবতঃ তারা জানতে চাচ্ছেন বিগত সময়ে এই সংগঠন কি কর্ম সম্পাদন করতে পেরেছে। তাই এই সংগঠন সম্পর্কে একটি ধারনা দেবার প্রয়াস আমি গ্রহণ করছি।
২০১০ সালে আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন শহুরে বসবাসরত কিছু দুরদ্শি প্রবাসী বাংলাদেশী, সমগ্র আয়ারল্যান্ডে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীদের একব্বিত করে একটি ছাতা (01)1912) সংগঠনের অন্তর্ভূক্ত করার প্রয়াস গ্রহণ করেন। সেই সূত্র ধরে ২০১১ সালের অক্টোবর মাসে একটি প্রত্যক্ষ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে অল বাংলাদেশি এসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ডের (আবাই) এর প্রথম কার্যকরী পরিষদ গঠিত হয়।
প্রসঙ্গতঃ উল্লেখযোগ্য যে, তখন আয়ারল্যান্ডে, কাউন্টি ভিত্তিক কয়েকটি সংগঠন কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন তারমধ্যে “বাংলাদেশ এসোসয়েশন অব আয়ারল্যান্ড (বাই)”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অব কর্ক (বিসিসি)”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অব গলওয়ে” অন্যতম। এই সংগঠনগুলোর নির্বাহীরা যেহেতু প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ছিলেন না তাই তাদের সার্বজনীন গ্রনযোগ্যতা কম ছিল এবং সেই সাথে বিভিন্ন কাউন্টির মধ্যে কোন সমন্বয় ছিল না। আবাই এর উদ্যোগ ছিল প্রতিটি কাউন্টিতে একটি করে কাঠামো তৈরি করা এবং সেই সাথে কেন্দ্রীয় একটি কাঠামো তৈরি করা যা সকলের সাথে সমন্বয় ও যোগাযোগের মাধ্যমে প্রবাসে বাংলাদেশী কমিউনিটিকে এক্যবদ্ধ রেখে তাদের উন্নয়নে ভূমিকা গ্রহণ করবে। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ডে কোন বাংলাদে শী দূতাবাস না থাকায়, বিভিন্ন সময় কনসুলার সেবার আয়োজন ও কমিউনিটিকে প্রতিনিধিত্ব করার প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হয়।

প্রসঙ্গতঃ উল্লেখযোগ্য যে, তখন আয়ারল্যান্ডে, কাউন্টি ভিত্তিক কয়েকটি সংগঠন কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন তারমধ্যে “বাংলাদেশ এসোসয়েশন অব আয়ারল্যান্ড (বাই)”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অব কর্ক (বিসিসি)”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অব গলওয়ে” অন্যতম। এই সংগঠনগুলোর নির্বাহীরা যেহেতু প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত ছিলেন না তাই তাদের সার্বজনীন গ্রনযোগ্যতা কম ছিল এবং সেই সাথে বিভিন্ন কাউন্টির মধ্যে কোন সমন্বয় ছিল না। আবাই এর উদ্যোগ ছিল প্রতিটি কাউন্টিতে একটি করে কাঠামো তৈরি করা এবং সেই সাথে কেন্দ্রীয় একটি কাঠামো তৈরি করা যা সকলের সাথে সমন্বয় ও যোগাযোগের মাধ্যমে প্রবাসে বাংলাদেশী কমিউনিটিকে এক্যবদ্ধ রেখে তাদের উন্নয়নে ভূমিকা গ্রহণ করবে। বিশেষ করে আয়ারল্যান্ডে কোন বাংলাদে শী দূতাবাস না থাকায়, বিভিন্ন সময় কনসুলার সেবার আয়োজন ও কমিউনিটিকে প্রতিনিধিত্ব করার প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে পরিলক্ষিত হয়।
